কারক কাকে বলে ? কারক কয় প্রকার ও কি কি উদাহরণ সরূপ

টেলিগ্ৰামে জয়েন করুন

কারক কাকে বলে কত প্রকার ও কি কি উদাহরণ সরূপ

কারক কাকে বলে

কোনো বাক‍্যে অবস্থানরত ক্রিয়াপদের সঙ্গে নামপদের যে সংযোগ তাকেই বলা হয় কারক।

কারক কাকে বলে- একটি ইংরেজি বাক্য গঠন করার জন্য কতগুলি latter ব্যবহার করা হয়। এবং কতগুলি Word (শব্দ) নিয়ে তৈরি হয় একটি Sentence (বাক্য)। এবং একটি বাক্যের ভিতরে একটি Sub থাকবে একটি Verb থাকবে ও একটি Obj থাকবে।

কারক কাকে বলে- আমাদের বাংলা ব্যাকরণ এর ক্ষেত্রে কতগুলি বর্ণ নিয়ে একটি শব্দ গঠিত হয় এবং কতগুলি শব্দের সমাবেশে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করা হয় । এই বাক্যের মধ‍্যে কর্তা, কর্ম, ক্রিয়ার উপস্থিতি থাকে ।

কারক কয় প্রকার ও কি কি ?

কারক মূলত সাত প্রকার যথা –

1. কতৃ কারক

2. কর্ম কারক

3. করণ কারক

4.অপাদান কারক                                         

5. অধিকরণ কারক                                       

 6. সম্প্রদান কারক                                       

7. নিমিত্ত কারক

1. কতৃ কারক:

যখন কোন বাক্যে অবস্থানরত ক্রিয়াকে ‘কে বা কারা’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তাহলে করতি কারক বলে।

উদাহরণ:

1. খুকি বই পড়ে।

2.মেয়েরা ফুল তোলে।

3.ঘাস জন্মালো মাঠে।

4. পোকায় কেটেছে।

2. কর্ম কারক:

বাক্যের অন্তর্গত ক্রিয়াকে কি বা কিসের দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর আসে সেটায় হল কর্ম কারক। কিন্তু আমাদের একটু মনে রাখতে হবে যে  ক্রিয়াকে কি দ্বারা বা কিসের দ্বারা প্রশ্ন করলে যদি যথাযথ উত্তর পাই তাহলে সেটি করণ কারক আর যদি যথাযথ উত্তর না পাই তাহলে সেটি কর্ম কারক।

উদাহরণ:

1. রক্তিম আমাকে একটা উপহার দিল।

2. ডাক্তার ডাকো।

3. ষড়রিপু জয় করেছেন।

4. তাকে বলো।

3. করণ কারক:

বাক্যের অন্তর্গত ক্রিয়াকে ‘কি অথবা কিসের দ্বারা’ প্রকাশ করলে তাকে বলা হয় করণ কারক।

উদাহরণ:

1. আকাশ কলম দিয়ে লিখছে।

2. আদর্শে তিনি বামপন্থী।

3. মৃত্যুতে জীবনের পরিসমাপ্তি হয়।।

4. মাটি দিয়ে মূর্তি গড়া হয়।

4. অপাদান কারক:

যদি কোন বাক্যে হইতে, থেকে, চেয়ে, পাপ, ভয় ও বিপদ এবং কিছু কমে যাওয়া বোঝায় তাহলে সেটিকে বলা হয় অপাদান কারক।

উদাহরণ:                                                                     

1. বিশ্বাস থেকে মনোবল বারে।                         

2. সিংহের ভয়ে মানুষ পালাই।                     

 3. বৃক্ষ থেকে পাতা পরে ।                               

4. বাইরে বিপদ বার হওয়া যাবে না ।       

5. অধিকরণ কারক :                                                 

যখন কোন বাক্যে স্থান-কাল-পাত্র এবং বাক্যে কোন কিছু যুক্ত হওয়া বোঝালে তখন সেটিকে বলা  হয় অধিকরণ কারক।

উদাহরণ:

1. তোমার বাড়ি কোথায়।

2. বসন্তকালে কোকিল ডাকে।

3. এক গ্লাস জল দাও।

4. গাছের পাতা আছে।

6. সম্প্রদান কারক:

যখন কোন বাক্যে নিঃস্বার্থে দান বা সাহায্য  করাকে বোঝানো হয় এবং যে দান বা সাহায্য পাচ্ছে তাকেই সম্প্রদান কারক বলা হয়।

উদাহরণ:

1. ভিক্ষুককে কিছু টাকা দাও।

2.গরীবকে অন্ন দাও।

3. দরিদ্রকে দান করো।

7. নিমিত্ত কারক:

বাক্যে অবস্থানরত ক্রিয়াকে যখন ‘কার জন্য বা কিসের জন্য’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর মেলে সেটাই হল নিমিত্ত কারক।

উদাহরণ:

1. সন্ধ্যা হয়ে এলো বাড়ি চলো।

2.বাবা কাজে গেছেন।

3. এবার পড়তে বসবো।

4. চিকিৎসার জন্য শহরে এসেছি।

আরও পড়ুন: 

# গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দ