অবাত শ্বসন কাকে বলে ? অবাত শ্বসনের স্থান ও উৎপন্ন পদার্থ

টেলিগ্ৰামে জয়েন করুন

অবাত শ্বসন কাকে বলে ? অবাত শ্বসনের স্থান ও  উৎপন্ন পদার্থ

সুপ্রিয় পাঠকগন আমাদের এই নতুন পোষ্টে স্বাগতম , এই পর্বটিতে আমরা অবাত শ্বসন কাকে বলে, অবাত শ্বসন এর স্থান ও উৎপন্ন পদার্থ  সম্পর্কে নিঁখুত ভাবে আলোচনা করেছি, যা আপনাদের জন‍্য খুবই হেল্পফুল হবে।

অবাত শ্বসন কাকে বলে :

যে পদ্ধতিতে জীবকোশের শ্বসন বস্তু মুক্ত অক্সিজেন ছাড়াই অক্সিজেনযুক্ত অজৈব যৌগের অক্সিজেন দ্বারা অসম্পূর্ণভাবে জারিত হয়ে কার্বন ডাইঅক্সাইড, জল ও অক্সাইড যৌগ উৎপন্ন করে এবং শ্বসন বস্তু মধ্যস্থ স্থৈতিক শক্তির আংশিক মুক্তি ঘটায়, তাকে অবাত শ্বসন বলে।

অন্যভাবে অবাত শ্বসন কাকে বলে বলতে গেলে, যে শ্বসন প্রক্রিয়ায় মুক্ত অক্সিজেন অণু ব্যবহৃত হয় না এবং সর্বশেষ ইলেকট্রন গ্রাহকরূপে অক্সিজেন ছাড়া অন্য যৌগ কার্যকরী হয়, তাকে অবাত শ্বসন বলে।

স্থান : অবাত শ্বসন অবায়ুজীবী পরজীবী প্রাণী (Monocystis নামক আদ্যপ্রাণী, Ascaris নামক কৃমি), ছত্রাক ও বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়ায় সম্পন্ন হয়। উন্নত প্রাণীর পেশিতে অক্সিজেনের ঘাটতি হলে যে ল্যাকটিক অ্যাসিড উৎপন্ন হয় তাও সাময়িকভাবে অবাত শ্বসনের ফলে সৃষ্টি হয়। এই ল্যাকটিক অ্যাসিড পেশিকোশে সজ্জিত হয়ে পেশির ক্লান্তি সৃষ্টি করে। পরিণত RBC পেশিকোশে অবাত শ্বসন দেখা যায়।

উৎপন্ন পদার্থ : বিভিন্ন ধরনের অবাত শ্বসনে জল, CO2, নাইট্রাইট যৌগ, ল্যাকটিক অ্যাসিড ও স্বল্প পরিমাণ শক্তি নির্গত হয়।

আরও পড়ুন :

শ্বসন কাকে বলে এবং গুরুত্ব ও প্রকারভেদ ? 

সবাত শ্বসন কাকে বলে 

Leave a Comment